, , ,
h9090
ব্রেকিং নিউজ
  • বরিশালে বিএনপি’র মিছিলে পুলিশের বাধা
  • বরিশালে শিক্ষকদের প্রতিবাদ সভা
  • হিজলায় এক রাতে তিন ঘরে ডাকাতি
  • উজিরপুরে সন্ধ্যা নদীতে ৩ লক্ষাধীক টাকার অবৈধ জাল আটক
  • বাকেরগঞ্জে ইয়াবাসহ আটক -১

Notice: Undefined variable: dexc in /home/barisalmail24/public_html/wp-content/themes/newspaper.bak/inc/retrive_functions.php on line 279

Notice: Undefined variable: cexc in /home/barisalmail24/public_html/wp-content/themes/newspaper.bak/inc/retrive_functions.php on line 282
Add
Tuesday, August 25, 2015 11:15 am
A- A A+ Print

ভাঙনে মেঘনা, সম্বল ও স্বপ্ন হারাচ্ছে মানুষ

ভোলা: মেঘনা পাড়ের গৃহবধূ সাহিদা (৩৫)। ৬ বছর আগে স্বামীকে হারিয়েছেন। ছোট ছোট ৩ ছেলেকে নিয়ে কয়েক বছর ধরে একটি ঝুঁপড়ি ঘরে তার বসবাস।  সম্বল বলতে ছিল স্বামীর ভিটেমাটি। কিন্তু তাও চলে গেছে মেঘনার গর্ভে। আরেক স্বামীহারা নারী মানোয়ারা (৪০)। ৫ সন্তানকে নিয়ে তার সংসার। এক সময় নিজের ঘরবাড়ি, পুকুর জমিজমা থাকলেও তা গিলে নিয়েছে মেঘনা। এতোদিন আশ্রয় নিয়ে ছিলেন অন্যের জমিতে। কিন্তু সেটুকুও এবার চলে গেছে মেঘনার ভাঙনে। শুধু সাহিদা ও মনোয়ারাই নন, ভোলায় মেঘনার ভয়াল ছোবলে এখন গৃহহারা তাদের মতো হাজারো পরিবার। আগ্রাসী মেঘনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতঘর, ফসলি জমিসহ সহায়-সম্বল সব। ভেসে যাচ্ছে গাছপালা, গবাদিপশু সেইসঙ্গে স্বপ্নও। সর্বস্ব হারিয়ে মেঘনাপাড়ের দিশেহারা পরিবারগুলোর চিন্তা কোথায় মিলবে একটু মাথা গোঁজার ঠাই। মেঘনার ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে ভোলা সদরের ইলিশার পুরাতন ফেরিঘাট পয়েন্টে। এখানে  ভাঙন কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) চেষ্টা চালিয়ে গেলেও তাকে কোনো কাজ হচ্ছে না। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ভাঙনে ইলিশা সড়কের প্রায় ৫০০ মিটার এলাকা মেঘনায় বিলীন হয়ে গেছে। এদিকে, ভাঙনের কারণ চিহ্নিত করতে একটি বিশেষজ্ঞ দলকে ভোলায় আসতে বলা হয়েছে। দ্রুত তারা ভোলায় এসে ভাঙনের কারণ চিহ্নিত করবেন বলে জানিয়েছে পাউবো। সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রবল জোয়ার ও স্রোতের তোড়ে পাড় থেকে বড় আকারের মাটির চাপ ধসে পড়ছে নদীতে। তীরবর্তী আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ও মূল্যবান জিনিসপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার সহায়-সম্বল হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এদেরই একজন মিলন মাঝি। তিনি জানান, মেঘনা তার সব কেড়ে নিয়েছে। এখন রাস্তার পাশে ঠাই নিয়েছেন। পরিবার নিয়ে তার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ মো. হোসেন বলেন, এমন ভাঙন আগে  দেখেননি, এক রাতেই সব শেষ। এরআগেও ৪ বার তিনি ভাঙনের শিকার হয়েছেন। বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারি কোনো সহায়তা তারা পাচ্ছেন না। এ ব্যাপারে ভোলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হেকিম  বলেন, ভাঙন রোধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের চেষ্টা চলবে। বিকল্প ব্যবস্থায় নতুন করে বাঁধ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে হঠাৎ করে এমন ভাঙনের কারণ নির্ণয়ে পাউবোর বিশেষজ্ঞ দলতে ভোলায় আসতে বলা হয়েছে বলে তিনি জানান। [fbcomments url="http://barisalmail24.com/archives/9368" count="on" num="5" countmsg="Comments!"]
 বরিশাল মেইল২৪.কম

ভাঙনে মেঘনা, সম্বল ও স্বপ্ন হারাচ্ছে মানুষ

Tuesday, August 25, 2015 11:15 am

ভোলা: মেঘনা পাড়ের গৃহবধূ সাহিদা (৩৫)। ৬ বছর আগে স্বামীকে হারিয়েছেন। ছোট ছোট ৩ ছেলেকে নিয়ে কয়েক বছর ধরে একটি ঝুঁপড়ি ঘরে তার বসবাস।  সম্বল বলতে ছিল স্বামীর ভিটেমাটি। কিন্তু তাও চলে গেছে মেঘনার গর্ভে।

আরেক স্বামীহারা নারী মানোয়ারা (৪০)। ৫ সন্তানকে নিয়ে তার সংসার। এক সময় নিজের ঘরবাড়ি, পুকুর জমিজমা থাকলেও তা গিলে নিয়েছে মেঘনা। এতোদিন আশ্রয় নিয়ে ছিলেন অন্যের জমিতে। কিন্তু সেটুকুও এবার চলে গেছে মেঘনার ভাঙনে।

শুধু সাহিদা ও মনোয়ারাই নন, ভোলায় মেঘনার ভয়াল ছোবলে এখন গৃহহারা তাদের মতো হাজারো পরিবার।

আগ্রাসী মেঘনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতঘর, ফসলি জমিসহ সহায়-সম্বল সব। ভেসে যাচ্ছে গাছপালা, গবাদিপশু সেইসঙ্গে স্বপ্নও।

সর্বস্ব হারিয়ে মেঘনাপাড়ের দিশেহারা পরিবারগুলোর চিন্তা কোথায় মিলবে একটু মাথা গোঁজার ঠাই।

মেঘনার ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে ভোলা সদরের ইলিশার পুরাতন ফেরিঘাট পয়েন্টে। এখানে  ভাঙন কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) চেষ্টা চালিয়ে গেলেও তাকে কোনো কাজ হচ্ছে না।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ভাঙনে ইলিশা সড়কের প্রায় ৫০০ মিটার এলাকা মেঘনায় বিলীন হয়ে গেছে।

এদিকে, ভাঙনের কারণ চিহ্নিত করতে একটি বিশেষজ্ঞ দলকে ভোলায় আসতে বলা হয়েছে। দ্রুত তারা ভোলায় এসে ভাঙনের কারণ চিহ্নিত করবেন বলে জানিয়েছে পাউবো।

সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রবল জোয়ার ও স্রোতের তোড়ে পাড় থেকে বড় আকারের মাটির চাপ ধসে পড়ছে নদীতে। তীরবর্তী আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ও মূল্যবান জিনিসপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার সহায়-সম্বল হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।

এদেরই একজন মিলন মাঝি। তিনি জানান, মেঘনা তার সব কেড়ে নিয়েছে। এখন রাস্তার পাশে ঠাই নিয়েছেন। পরিবার নিয়ে তার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।

ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ মো. হোসেন বলেন, এমন ভাঙন আগে  দেখেননি, এক রাতেই সব শেষ। এরআগেও ৪ বার তিনি ভাঙনের শিকার হয়েছেন। বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারি কোনো সহায়তা তারা পাচ্ছেন না।

এ ব্যাপারে ভোলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হেকিম  বলেন, ভাঙন রোধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের চেষ্টা চলবে। বিকল্প ব্যবস্থায় নতুন করে বাঁধ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

তবে হঠাৎ করে এমন ভাঙনের কারণ নির্ণয়ে পাউবোর বিশেষজ্ঞ দলতে ভোলায় আসতে বলা হয়েছে বলে তিনি জানান।

সম্পাদকঃ মোঃ জিহাদ রানা।
গির্জ্জা মহল্লা,বরিশাল।
মোবাইল: ০১৭৫৭৮০৭৩৮৩
ইমেইল : barisalmail24@gmail.com
বরিশালের একটি ২৪/৭ অনলাইন নিউজ মিডিয়া।