, , ,
h9090
ব্রেকিং নিউজ
  • বরিশালে বিএনপি’র মিছিলে পুলিশের বাধা
  • বরিশালে শিক্ষকদের প্রতিবাদ সভা
  • হিজলায় এক রাতে তিন ঘরে ডাকাতি
  • উজিরপুরে সন্ধ্যা নদীতে ৩ লক্ষাধীক টাকার অবৈধ জাল আটক
  • বাকেরগঞ্জে ইয়াবাসহ আটক -১

Notice: Undefined variable: dexc in /home/barisalmail24/public_html/wp-content/themes/newspaper.bak/inc/retrive_functions.php on line 279

Notice: Undefined variable: cexc in /home/barisalmail24/public_html/wp-content/themes/newspaper.bak/inc/retrive_functions.php on line 282
Add
Thursday, May 7, 2015 9:23 am
A- A A+ Print

কুয়াকাটা সৈকত রক্ষা করতে পারে গ্রোয়েন বাঁধ

বঙ্গোপসাগরে ঢেউয়ের ঝাপটা এবং প্রবল স্রোতে কুয়াকাটা সৈকত রক্ষায় গ্রোয়েন বাঁধ যুগপোযোগী ব্যবস্থা হতে পারে বলে এমন অভিমত বিশেষজ্ঞদের। বর্ষা মৌসুমী বালুক্ষয় রোধ ও ভাঙ্গনের কবল থেকে সৈকতকে বাঁচাতে এ বাঁধ সমুদ্রের স্রোতধারা পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে। সেই সাথে সৈকতে পলি জমে বিস্তৃর্ণ বেলাভূমি তৈরীতে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছেন তারা। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম দিকে আন্ধারমানিক এবং পূর্বদিকে রয়েছে রামনাবাদ মোহনা। কয়েক বছর ধরে এর ভয়াবহতা প্রকট আকার ধারণ করায় হুমকির মুখে পড়ে দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সৈকত ও বেড়িবাঁধ। বিনিয়োগকারীদের মোটা অংকের বিনিয়োগ ও প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র সবুজ বেস্টনী পড়েছে হুমকির মুখে। ইতিমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ জোন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে সৈকতের মাঝিবাড়ী পয়েন্ট, লেম্বুরচর, কম্পিউটার সেন্টার, ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসা, বিপিনপুর, মনোহরপুর, পুরান মহিপুর, হাজীপুর, নিজশিববাড়িয়া, খ্রীস্টান পল্লীর সদরপুর, লালুয়ার চারিপাড়া এলাকা। এসব জায়গায় নতুন করে স্থাপনা তৈরীতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বিনিয়োগকারীরা। এদিকে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সৈকত রক্ষা প্রকল্প ১০ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে পর্যটন কেন্দ্র ছাড়াও এখানকার ঐতিহাসিক এবং আধুনিক ভাবে গড়ে ওঠা মূল্যবান স্থাপনা, পর্যটকদের আকৃষ্ট করার স্পটগুলো সাগরের ভাঙ্গনে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। একটি সূত্র থেকে জানা যায়, কুয়াকাটা সৈকত রক্ষায় ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকল্প প্রতিবেদন প্রস্তাবনায় ৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৭ হাজার টাকা চেয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দক্ষিণ অঞ্চল জোন বরিশালের খেপুপাড়া পাউবো উপ-বিভাগীয় কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানো হয়। সে সময় সৈকতের বেলাভূমির ক্ষয়রোধ ঠেকাতে সিসি ব্লকের প্রস্তাবনা পাঠানো হলেও সে প্রকল্পটিও অনুমোদন হয়নি। গত কয়েক বছরে ৩ কিলোমিটার সৈকত এবং ২০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সাগরগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে জানা যায়। কুয়াকাটা ইনভেস্টর্স ফোরামের মুখপাত্র ও রোটারি ক্লাব অব কুয়াকাটা বীচ’র সেক্রেটারী হাসনুল ইকবাল বলেন, এরই মধ্যে সৈকত লাগোয়া এলজিইডির বাংলো কাম বায়ো গ্যাসপ্লান্ট বিধ্বস্ত হয়েছে। সৈকতের বালু ক্ষয় রোধে ও বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা পেতে অপরিকল্পিত ভাবে ব্লক দিয়েও প্রতিরোধ হয়নি। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ডিন প্রফেসর আ ক ম মোস্তফা জামান সাংবাদিকদের জানান, গ্রোয়েন বাঁধই পারে সমুদ্রের স্রোতধারাকে পরিবর্তন করে দিতে। এর ফলে সৈকতে বালু ক্ষয় রোধ, প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র ও সবুজ বেস্টনী রক্ষা করে বিস্তীর্ণ বেলাভূমি তৈরীতে সহয়ক হতে পারে। আন্ধারমানিক ও রামনাবাধ মোহনার মূল স্রোত এসে কুয়াকাটার বেলাভূমিতে আঘাত হানায় সৈকতে বালু ক্ষয় ও বেড়িবাঁধে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়।এ থেকে রেহাই পেতে সরকার আন্ধারমানিক মোহনার লেম্বুর চরে গ্রোয়েন বাঁধ তৈরী করে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করতে পারে। পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আশ্রাফ জামান সাংবাদিকদের জানান, কুয়াকাটা সৈকত রক্ষায় পাউবোর মাধ্যমে ৫২ কোটি টাকার একটি নতুন প্রকল্প সরকার হাতে নিয়েছে। তবে গ্রোয়েন বাঁধের মত এমন বৃহৎ কোন প্রজেক্ট করা যায় কিনা তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা হবে। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক অমিতাভ সরকার সাংবাদিকদের বলেন, কুয়াকাটা সৈকত রক্ষায় মহাপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। মাস্টার প্লান অনুযায়ী কুয়াকাটার সব উন্নয়ন করা হবে।
[fbcomments url="http://barisalmail24.com/archives/6318" count="on" num="5" countmsg="Comments!"]
 বরিশাল মেইল২৪.কম

কুয়াকাটা সৈকত রক্ষা করতে পারে গ্রোয়েন বাঁধ

Thursday, May 7, 2015 9:23 am

বঙ্গোপসাগরে ঢেউয়ের ঝাপটা এবং প্রবল স্রোতে কুয়াকাটা সৈকত রক্ষায় গ্রোয়েন বাঁধ যুগপোযোগী ব্যবস্থা হতে পারে বলে এমন অভিমত বিশেষজ্ঞদের। বর্ষা মৌসুমী বালুক্ষয় রোধ ও ভাঙ্গনের কবল থেকে সৈকতকে বাঁচাতে এ বাঁধ সমুদ্রের স্রোতধারা পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে। সেই সাথে সৈকতে পলি জমে বিস্তৃর্ণ বেলাভূমি তৈরীতে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম দিকে আন্ধারমানিক এবং পূর্বদিকে রয়েছে রামনাবাদ মোহনা। কয়েক বছর ধরে এর ভয়াবহতা প্রকট আকার ধারণ করায় হুমকির মুখে পড়ে দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সৈকত ও বেড়িবাঁধ। বিনিয়োগকারীদের মোটা অংকের বিনিয়োগ ও প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র সবুজ বেস্টনী পড়েছে হুমকির মুখে। ইতিমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ জোন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে সৈকতের মাঝিবাড়ী পয়েন্ট, লেম্বুরচর, কম্পিউটার সেন্টার, ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসা, বিপিনপুর, মনোহরপুর, পুরান মহিপুর, হাজীপুর, নিজশিববাড়িয়া, খ্রীস্টান পল্লীর সদরপুর, লালুয়ার চারিপাড়া এলাকা। এসব জায়গায় নতুন করে স্থাপনা তৈরীতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বিনিয়োগকারীরা।

এদিকে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সৈকত রক্ষা প্রকল্প ১০ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে পর্যটন কেন্দ্র ছাড়াও এখানকার ঐতিহাসিক এবং আধুনিক ভাবে গড়ে ওঠা মূল্যবান স্থাপনা, পর্যটকদের আকৃষ্ট করার স্পটগুলো সাগরের ভাঙ্গনে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

একটি সূত্র থেকে জানা যায়, কুয়াকাটা সৈকত রক্ষায় ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকল্প প্রতিবেদন প্রস্তাবনায় ৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৭ হাজার টাকা চেয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দক্ষিণ অঞ্চল জোন বরিশালের খেপুপাড়া পাউবো উপ-বিভাগীয় কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানো হয়। সে সময় সৈকতের বেলাভূমির ক্ষয়রোধ ঠেকাতে সিসি ব্লকের প্রস্তাবনা পাঠানো হলেও সে প্রকল্পটিও অনুমোদন হয়নি। গত কয়েক বছরে ৩ কিলোমিটার সৈকত এবং ২০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সাগরগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে জানা যায়।

কুয়াকাটা ইনভেস্টর্স ফোরামের মুখপাত্র ও রোটারি ক্লাব অব কুয়াকাটা বীচ’র সেক্রেটারী হাসনুল ইকবাল বলেন, এরই মধ্যে সৈকত লাগোয়া এলজিইডির বাংলো কাম বায়ো গ্যাসপ্লান্ট বিধ্বস্ত হয়েছে। সৈকতের বালু ক্ষয় রোধে ও বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা পেতে অপরিকল্পিত ভাবে ব্লক দিয়েও প্রতিরোধ হয়নি। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ডিন প্রফেসর আ ক ম মোস্তফা জামান সাংবাদিকদের জানান, গ্রোয়েন বাঁধই পারে সমুদ্রের স্রোতধারাকে পরিবর্তন করে দিতে। এর ফলে সৈকতে বালু ক্ষয় রোধ, প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র ও সবুজ বেস্টনী রক্ষা করে বিস্তীর্ণ বেলাভূমি তৈরীতে সহয়ক হতে পারে। আন্ধারমানিক ও রামনাবাধ মোহনার মূল স্রোত এসে কুয়াকাটার বেলাভূমিতে আঘাত হানায় সৈকতে বালু ক্ষয় ও বেড়িবাঁধে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়।এ থেকে রেহাই পেতে সরকার আন্ধারমানিক মোহনার লেম্বুর চরে গ্রোয়েন বাঁধ তৈরী করে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করতে পারে।

পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আশ্রাফ জামান সাংবাদিকদের জানান, কুয়াকাটা সৈকত রক্ষায় পাউবোর মাধ্যমে ৫২ কোটি টাকার একটি নতুন প্রকল্প সরকার হাতে নিয়েছে। তবে গ্রোয়েন বাঁধের মত এমন বৃহৎ কোন প্রজেক্ট করা যায় কিনা তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা হবে। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক অমিতাভ সরকার সাংবাদিকদের বলেন, কুয়াকাটা সৈকত রক্ষায় মহাপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। মাস্টার প্লান অনুযায়ী কুয়াকাটার সব উন্নয়ন করা হবে।

সম্পাদকঃ মোঃ জিহাদ রানা।
গির্জ্জা মহল্লা,বরিশাল।
মোবাইল: ০১৭৫৭৮০৭৩৮৩
ইমেইল : barisalmail24@gmail.com
বরিশালের একটি ২৪/৭ অনলাইন নিউজ মিডিয়া।