, , ,
h9090
ব্রেকিং নিউজ
  • বরিশালে বিএনপি’র মিছিলে পুলিশের বাধা
  • বরিশালে শিক্ষকদের প্রতিবাদ সভা
  • হিজলায় এক রাতে তিন ঘরে ডাকাতি
  • উজিরপুরে সন্ধ্যা নদীতে ৩ লক্ষাধীক টাকার অবৈধ জাল আটক
  • বাকেরগঞ্জে ইয়াবাসহ আটক -১

Notice: Undefined variable: dexc in /home/barisalmail24/public_html/wp-content/themes/newspaper.bak/inc/retrive_functions.php on line 279

Notice: Undefined variable: cexc in /home/barisalmail24/public_html/wp-content/themes/newspaper.bak/inc/retrive_functions.php on line 282
Add
Friday, May 1, 2015 9:34 am
A- A A+ Print

বরিশাল নগরে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে

বিষেশ প্রতিনিধি ॥ অপরিকল্পিতভাবে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণে বরিশাল নগরে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। অধিকাংশ বাড়ির নলকূপ দিয়ে এখন আর পানি উঠছে না। এতে নগরে পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন আঞ্চলিক পত্রিকায় গত সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে শহর এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপন না করার জন্য নোটিশ দিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন কতৃপক্ষ। বরিশাল সিটি করপোরেশনের পানি বিভাগ জানায়, নগরে ১ কোটি ২০ লাখ গ্যালন পানির প্রয়োজন। সিটি করপোরেশন মাত্র ৫০ লাখ গ্যালন পানি সরবরাহ করতে পারছে। ২০১৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, শহর এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি মিলে সাড়ে চার হাজার গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এখন নগরে পানি সরবরাহের জন্য রূপাতলী ও আমানতগঞ্জ এলাকায় দুটি পানি শোধনাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। সেগুলো চালু হলে পানির সংকট দূর হবে এবং একই সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপও কমবে বলে দাবি করা হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর হাসপাতাল রোড, আমানতগঞ্জ, নথুল্লাবাদ, রূপাতলী, সদর রোড, প্যারারা রোড, কলেজ রোড, বটতলা, আলেকান্দা, বগুড়া রোডসহ অধিকাংশ এলাকার বাড়ির গভীর নলকূপ থেকে দিনের বেলা পানি উঠছে না। বাধ্য হয়ে কেউ কেউ নলকূপের ভেতর অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপন করেছেন। নগরীর গোরস্থান রোডের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিক বলেন, এক মাসের বেশি সময় ধরে দিনের বেলা নলকূপে পানি ওঠে না। বাধ্য হয়ে গভীর রাতে অথবা ভোররাতে পানি তুলতে হয়। রূপাতলী এলাকার বাসিন্দা মইনুল ইসলাম বলেন, পাশের বাড়ির মালিক নলকূপের ভেতর সাবমার্সিবল পাম্প বসানোর ফলে আমাদের নলকূপ থেকে পানি ওঠে না। নগরীর সদর রোড এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুন কবির জানান, নগরীর সিটি কলেজের মধ্যে করপোরেশনের অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গভীর নলকূপ বসানো আছে। ওই মেশিন চালু হলে সদর রোডসহ আশপাশের কেউ পানি পায় না। প্যারারা রোডের বাসিন্দা আনোয়ারুল হক তারিন বলেন, গভীর নলকূপ বসানোর পরও পানির সংকট তীব্র ছিল। সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপনের পর পানি পাওয়া যাচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক সুকুমার বিশ্বাস বলেন, নগরীর গভীর নলকূপের সংখ্যা এত বেশি যে খরা মৌসুমে পানির সংকট তীব্র হয়। এ ছাড়া অধিক মাত্রায় ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করলে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ জন্য খাল-পুকুর এবং নদীর পানি ব্যবহার করা প্রয়োজন। সিটি করপোরেশনের পানি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী মনিরুল ইসলাম বলেন, অপরিকল্পিতভাবে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে পানির স্তর আগের চেয়ে ২০ ফুট নেমে গেছে। বাসাবাড়িতে বর্তমানে অনেকে সাবমার্সিবল পাম্প ব্যবহার করায় আশপাশের গ্রাহকেরা পানি পাচ্ছেন না। তাহলে গভীর নলকূপ স্থাপনে গ্রাহকদের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু করর্পোরেশন চাহিদামতো পানি সরবরাহ করতে পারছে না, তাই বিষয়টি ছাড় দেওয়া হয়েছিল। তবে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালু হলে পানির সংকট থাকবে না বলে জানান তিনি।
[fbcomments url="http://barisalmail24.com/archives/6248" count="on" num="5" countmsg="Comments!"]
 বরিশাল মেইল২৪.কম

বরিশাল নগরে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে

Friday, May 1, 2015 9:34 am

বিষেশ প্রতিনিধি ॥ অপরিকল্পিতভাবে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণে বরিশাল নগরে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। অধিকাংশ বাড়ির নলকূপ দিয়ে এখন আর পানি উঠছে না। এতে

নগরে পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন আঞ্চলিক পত্রিকায় গত সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে শহর এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপন না করার জন্য নোটিশ দিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন কতৃপক্ষ।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের পানি বিভাগ জানায়, নগরে ১ কোটি ২০ লাখ গ্যালন পানির প্রয়োজন। সিটি করপোরেশন মাত্র ৫০ লাখ গ্যালন পানি সরবরাহ করতে পারছে। ২০১৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, শহর এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি মিলে সাড়ে চার হাজার গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এখন নগরে পানি সরবরাহের জন্য রূপাতলী ও আমানতগঞ্জ এলাকায় দুটি পানি শোধনাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। সেগুলো চালু হলে পানির সংকট দূর হবে এবং একই সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপও কমবে বলে দাবি করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর হাসপাতাল রোড, আমানতগঞ্জ, নথুল্লাবাদ, রূপাতলী, সদর রোড, প্যারারা রোড, কলেজ রোড, বটতলা, আলেকান্দা, বগুড়া রোডসহ অধিকাংশ এলাকার বাড়ির গভীর নলকূপ থেকে দিনের বেলা পানি উঠছে না। বাধ্য হয়ে কেউ কেউ নলকূপের ভেতর অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপন করেছেন। নগরীর গোরস্থান রোডের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিক বলেন, এক মাসের বেশি সময় ধরে দিনের বেলা নলকূপে পানি ওঠে না। বাধ্য হয়ে গভীর রাতে অথবা ভোররাতে পানি তুলতে হয়। রূপাতলী এলাকার বাসিন্দা মইনুল ইসলাম বলেন, পাশের বাড়ির মালিক নলকূপের ভেতর সাবমার্সিবল পাম্প বসানোর ফলে আমাদের নলকূপ থেকে পানি ওঠে না। নগরীর সদর রোড এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুন কবির জানান, নগরীর সিটি কলেজের মধ্যে করপোরেশনের অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গভীর নলকূপ বসানো আছে। ওই মেশিন চালু হলে সদর রোডসহ আশপাশের কেউ পানি পায় না। প্যারারা রোডের বাসিন্দা আনোয়ারুল হক তারিন বলেন, গভীর নলকূপ বসানোর পরও পানির সংকট তীব্র ছিল। সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপনের পর পানি পাওয়া যাচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক সুকুমার বিশ্বাস বলেন, নগরীর গভীর নলকূপের সংখ্যা এত বেশি যে খরা মৌসুমে পানির সংকট তীব্র হয়। এ ছাড়া অধিক মাত্রায় ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করলে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ জন্য খাল-পুকুর এবং নদীর পানি ব্যবহার করা প্রয়োজন।
সিটি করপোরেশনের পানি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী মনিরুল ইসলাম বলেন, অপরিকল্পিতভাবে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে পানির স্তর আগের চেয়ে ২০ ফুট নেমে গেছে। বাসাবাড়িতে বর্তমানে অনেকে সাবমার্সিবল পাম্প ব্যবহার করায় আশপাশের গ্রাহকেরা পানি পাচ্ছেন না। তাহলে গভীর নলকূপ স্থাপনে গ্রাহকদের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু করর্পোরেশন চাহিদামতো পানি সরবরাহ করতে পারছে না, তাই বিষয়টি ছাড় দেওয়া হয়েছিল। তবে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালু হলে পানির সংকট থাকবে না বলে জানান তিনি।

সম্পাদকঃ মোঃ জিহাদ রানা।
গির্জ্জা মহল্লা,বরিশাল।
মোবাইল: ০১৭৫৭৮০৭৩৮৩
ইমেইল : barisalmail24@gmail.com
বরিশালের একটি ২৪/৭ অনলাইন নিউজ মিডিয়া।